১. মৎস্য চাষের গুরুত্ব
মাছ বাংলাদেশের প্রাণিজ আমিষের ৬০% যোগান দেয়। এটি পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস।
উল্লেখযোগ্য প্রজাতি:
-
রুই, কাতলা, মৃগেল (ভারতীয় মেজর কার্প)
-
পাঙ্গাস, তেলাপিয়া (দ্রুত বাড়ে)
-
শিং, মাগুর (স্থানীয় প্রজাতি)
——
২. মাছ চাষের ধাপসমূহ
ক. পুকুর প্রস্তুতি
-
জলাশয় শোধন: চুন প্রয়োগ (১ কেজি/১০০ বর্গমিটার)
-
জল ব্যবস্থাপনা: ৪-৫ ফুট গভীরতা বজায় রাখুন
খ. পোনা মজুদ
-
মৌসুম: বৈশাখ-আষাঢ় (এপ্রিল-জুন)
-
ঘনত্ব: ৮-১০ ইঞ্চি পোনা ৩০০-৪০০/একর
গ. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
-
প্রাকৃতিক খাদ্য: প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য গোবর/রাসায়নিক সার
-
পরিপূরক খাদ্য: ভাসমান খাবার (প্রোটিন ২৮-৩২%)
——
৩. সাধারণ রোগ ও প্রতিকার
| রোগের নাম | লক্ষণ | সমাধান |
|---|---|---|
| ইপিজুটিক আলসার | লাল ঘা, আঁশ খসা | অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ৫ গ্রাম/কেজি খাদ্যে |
| ড্রপসি | পেট ফোলা, চোখ উঁচু | লবণ পানিতে ডিপ (৩%) |
——
৪. আধুনিক পদ্ধতি
-
বায়োফ্লক প্রযুক্তি: কম পানিতে উচ্চ উৎপাদন
-
কেজ কালচার: নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ
——
৫. বিপণন ও লাভ
-
স্থানীয় হাট: সরাসরি বিক্রয়ে লাভ ৩০-৪০%
-
প্রক্রিয়াজাতকরণ: শুটকি/ফিলেট করে মূল্য সংযোজন
——
সহায়ক প্রতিষ্ঠান:
-
মৎস্য অধিদপ্তর: www.fisheries.gov.bd
-
বিএফআরআই: মাছের উন্নত জাত গবেষণা
——
টিপস:
-
প্রতি মাসে পানির pH (৬.৫-৮.৫) ও অক্সিজেন চেক করুন
-
সমন্বিত চাষ (ধান-মাছ/হাঁস-মাছ) করে আয় বাড়ান